রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

করোনো ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের সাত প্রবেশ পথে থার্মাল স্ক্যানার

দেশান্তর প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩০৪ বার পঠিত
করোনা ভাইরাস (ছবি- ইন্টারনেট)

চীন থেকে বিশ্বের কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন ধরনের নভেল করোনা ভাইরাস। এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে বাংলাদেশও। এই ভাইরাস প্রতিরোধে রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের সাতটি প্রবেশ পথে ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে। সরকারের গ্রহণ করা এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আক্রান্ত দেশ থেকে আগত রোগীদের স্পর্শ না করে জ্বর পর্যবেক্ষণ করা হবে। 

এর পাশাপাশি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালকে রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে নির্দিষ্ট রেখে সেখানে সঙ্গনিরোধ ওয়ার্ডও চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থল ও নৌ বিমানবন্দরসমূহে ইমিগ্রেশন ও আইএইচআর স্বাস্থ্য ডেস্কসমূহে সতর্কতা ও রোগের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে তথ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন প্রবেশ পথসমূহে নতুন করোনা ভাইরাস স্ক্রিনিং কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। পাশাপাশি, ভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রম গ্রহণসহ নতুন ভাইরাস সম্পর্কে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ট্রেনিং প্রদান করা হচ্ছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে যারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত আছেন, তাদের কেউ আজ পর্যন্ত আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোতে অন্য কেউ আক্রান্তও হয়নি।

 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চিকিৎসা কাজে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ রোগ প্রতিরোধী পোশাক মজুদ রাখা হয়েছে। প্লেনের ভেতরে আক্রান্ত রোগীদের যেন দ্রুত সনাক্ত করা যায় তার জন্য ক্রুদের মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে হেলথ ডিক্লারেশন ফর্ম ও প্যাসেঞ্জার লোকেটের ফর্ম বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

এছাড়াও এই ভাইরাসের ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত গাইডলাইন। দ্রুত যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিডিসি ও আইইডিসিআর এর মোট ৪টি হটলাইন।

 

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে যে, সীমিত আকারের মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে এটি। তাই ভ্রমণকালীন বিশেষ করে চীন থেকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ থেকে চীনে ভ্রমণকারীরা সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য স্বাভাবিক শ্বাসতন্ত্রের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (মাস্ক) গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণসমূহ হলো শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে কাশি। তবে ভাইরাসটি সম্পূর্ণ নতুন হওয়ায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু এখনো জানা যায়নি।

জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির চেয়ে কমপক্ষে দুই হাত দূরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে কিংবা সংক্রমণ স্থলে বারবার প্রয়োজন মতো সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়াও যেখানে সেখানে কফ বা থুতু না ফেলারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 deshantortv

This site Development & Maintenance by Fahim Shaon

themebaonlic1718051743