ঢাকা    বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
দেশান্তর টেলিভিশন

আন্তর্জাতিক

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক: আমজাদ হোসেন বুলবুল

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক: আমজাদ হোসেন বুলবুল

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক: আমজাদ হোসেন বুলবুলআগামী ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির শিমুলিয়া ইউনিয়নের সম্মানিত সদস্য জনাব আমজাদ হোসেন বুলবুল।তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল ও সার্থক হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা। দেশ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা অব্যাহত থাকুক।”আমজাদ হোসেন বুলবুল আরও বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বিএনপির আদর্শ ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য দোয়া করেন।

নেপাল থেকে ফিরে কি বললেন অপু বিশ্বাস

নেপালে ভূমিকম্প-বন্যা, নিরাপদে ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিমনেপালে আকস্মিক ভূমিকম্প ও বন্যার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটিতে অবস্থানরত শত শত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবরও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নেপালে অবস্থান করছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত সিনেমা ‘শিকার’-এর টিম।এদিকে ভূমিকম্প ও বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ‘শিকার’ সিনেমার টিমের সদস্যদের খোঁজ নিতে তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত, সাংবাদিক, আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনরা ফোন ও মেসেজ করছেন। সবার উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি জানিয়েছেন অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।এক বার্তায় অপু বিশ্বাস বলেন, ভূমিকম্প ও বন্যার খবর শোনার পর থেকেই অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত, সাংবাদিক, আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জন ফোন ও মেসেজ করে তাদের খোঁজ নিচ্ছেন। সবার ভালোবাসা, উদ্বেগ ও আন্তরিকতার জন্য তিনি হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা জানান।অপু বিশ্বাস আরও জানান, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর রহমতে আমরা ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিম নিরাপদ স্থানে আছি এবং সবাই সুস্থ ও ভালো আছি।’ তার এই বার্তার পর ‘শিকার’ সিনেমার টিমের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগ অনেকটাই কেটেছে। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিরাপত্তার জন্য স্বস্তি প্রকাশ করছেন এবং দ্রুত দেশে ফেরার প্রত্যাশা করছেন।

নেপাল থেকে ফিরে কি বললেন অপু বিশ্বাস

মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে গত সপ্তাহে কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। আজ শুক্রবার নয়া দিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে আবারও বিষয়টি নিয়ে তাঁকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেছেন, তাঁরা (ভারত) বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের কথা তুলে ধরে বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চুক্তিটিকে ইতিবাচক হিসেবে আখ্যা দিয়ে একে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা এবং মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, চুক্তির সদস্য দেশগুলো অভিপ্রায় প্রকাশ করলে বাংলাদেশ এতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছি—বিশেষত, তা যদি ভারতের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় হয়। দেশের সুরক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকি।’ একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। সম্প্রতি দুটি ঘটনার উল্লেখ করে ওই সাংবাদিক জানতে চান, এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বা নিয়েছে কি না এবং এটা ভারতের কাছে উদ্বেগজনক কি না। জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতির মোকাবিলা করা বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব তাদের যথাযথভাবে পালন করা উচিত।’

মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত

রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও এগিয়ে যাবে দুই দেশের অর্থনীতি: ভারতের হাইকমিশনার ত্রিবেদী

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও দুই দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই স্থায়ী সমাধানের পথ এবং এই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় ভারত। সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকতে পারে, কিন্তু অর্থনীতি থেমে থাকবে না। অর্থনীতি যখন এগিয়ে যায়, রাজনীতিও ধীরে ধীরে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতি ও অর্থনীতি দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় চাওয়া শান্তি ও সমৃদ্ধি। দুই দেশের দায়িত্ব হলো জনগণের জন্য এ দুটো নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ ও ভারত দুটোই সার্বভৌম রাষ্ট্র। এখানে ছোট-বড় বলে কিছু নেই। নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষা করেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে হাইকমিশনার বলেন, সম্প্রতি ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইআই)-এর একটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করেছে। তারা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে। দুই দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো জরুরি। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভালো রাস্তাঘাট আর বিদ্যুৎ চায়। এসব নিশ্চিত করতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিজনেস টু বিজনেস সম্পর্ক বাড়াতে হবে। এজন্য দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখা দরকার। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ইস্যু থাকবেই। কিন্তু তার পাশাপাশি মানুষের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিও নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দুই দেশের তরুণ প্রজন্মই ভবিষ্যতের মূল শক্তি। তাদের সক্ষমতা, জ্ঞান ও আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে কাজ করতে হবে। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমেই দুই দেশের ভোক্তারা প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য ও সেবা পেতে পারেন। যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। ভারত জিপার, মেশিনারি ও পোশাকের বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করতে পারে। দুই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করলে ইন্দো-বাংলা বা বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগের পণ্য তৈরি করা সম্ভব। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে যাচ্ছে। সেখানে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখলে তিনি গর্ববোধ করেন। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা উচিত। রাজনৈতিক সম্পর্ক নিজস্ব গতিতে চলবে, আর ব্যবসা-বাণিজ্য মানুষের প্রয়োজন মেটাবে বলে মনে করেন হাইকমিশনার। দুই দেশের জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। বাংলাদেশ একটি প্রাণবন্ত ও স্বাধীন দেশ, ভারতও স্বাধীন ও সার্বভৌম। কোনো দেশই বড় বা ছোট নয়। এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দুই দেশের জনগণের জন্য কাজ করা।

রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও এগিয়ে যাবে দুই দেশের অর্থনীতি: ভারতের হাইকমিশনার ত্রিবেদী